ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরে ঘেরা খাল খনন শুরু ইসরায়েলের
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০৩:১২:২৭ অপরাহ্ন
এ আই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি কারাগারে ফিলিস্তিনের হামাস সদস্যদের রাখা বিশেষ জেলখানার চারপাশে কুমির রাখার জন্য পরিখা বা খাল খনন শুরু করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) এই প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।
কারাগারটি যে এলাকায় অবস্থিত সেই রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, ১৭০ মিটার বিস্তৃত এই পরিখা খননের কাজ কেতজিওত কারাগারের ভেতরের একটি উইংয়ে করা হচ্ছে যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। ইসরায়েলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান নীল নদের কুমিরকে গৃহপালিত বন্যপ্রাণী হিসেবে নতুন শ্রেণীভুক্ত করার পরই এই উদ্যোগের পথ উন্মুক্ত হয়।
উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি শুরু হয়েছে এবং এটিকে যারা সস্তা স্টান্ট মনে করেছিল তারা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। পরিখা ও কুমিরের যত্নে ২১ মিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কারা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তবে ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনি উপদেষ্টারা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। কেতজিওত কারাগারটি নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্দিশালা, যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে আটক ফিলিস্তিনিদের রাখা হয়।
ফিলিস্তিনি কারাবন্দী বিষয়ক সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীর সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ৬০০ অতিক্রম করেছে। একই সাথে বন্দীদের ওপর কম্বল ও খাবার না দেওয়া এবং লোহার পাতে ঘুমাতে বাধ্য করার মতো কঠোর নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স